মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ২৫ মার্চ ২০১৮

এলডিসি থেকে উত্তরণ উপলক্ষ্যে "উন্নয়নের গতিধারায় বাংলাদেশ- প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও সম্ভাবনা" শীর্ষক সেমিনার ২৪ মার্চ, ২০১৮ ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত


প্রকাশন তারিখ : 2018-03-24

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ বিষয়ে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড), কুমিল্লা এবং পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ), বগুড়ার যৌথ উদ্যোগে ২৪ মার্চ ২০১৮ ঢাকার সিরডাপ মিলনায়তনে উন্নয়নের গতিধারায় বাংলাদেশ- প্রত্যাশা, প্রাপ্তি ও সম্ভাবনা- বার্ড, কুমিল্লা ও আরডিএ, বগুড়া এর ভূমিকা শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী জনাব মোঃ মসিউর রহমান রাঙ্গা, এমপি বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আজন্ম লালিত ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলার সফল রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণে তাঁকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও বিনম্র শ্রদ্ধা। বিগত এক দশক ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে সরকারের সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ ও এর অধীনস্থ অধিদপ্তর, সংস্থা এবং অন্যান্য সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের ঐকান্তিক প্রচেষ্টার ফসল হলো এলডিসি থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ।

তিনি আরো বলেন, স্বাধীনতা পূর্ববর্তী বছর ১৯৭০ এবং পরবর্তী বছর ১৯৯০, ২০০৬ এবং ২০১৭ সালে বাংলাদেশের মাথা পিছু আয় ছিল যথাক্রমে ১৩৮, ২৯৭, ৪৯৪ এবং ১,৬১০ ইউএস ডলার। বিগত এক দশকে এ অর্জন সম্ভবপর হয়েছে। আমরা এলডিসি থেকে উত্তরিত হয়েছি। জাতিসংঘের অর্থনৈতিক, সামাজিক পরিষদের উন্নয়ন নীতি বিষয়ক কমিটি (সিডিপি) সম্প্রতি বাংলাদেশের দারিদ্র্য হ্রাস ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি দেখিয়ে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে যোগ্যতা অর্জন নিশ্চিত করেছে। এলডিসি থেকে উত্তরণের জন্য মাথাপিছু আয়, মানবসম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক - এ তিনটির যে কোনও দুটি অর্জনের শর্ত থাকলেও বাংলাদেশ তিনটি সূচকের কাঙ্খিত মানদন্ডেই উনড়বীত হয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জের অর্থনৈতিক ও সামাজিক কাউন্সিলের মানদন্ড অনুযায়ী বছরে একটি দেশের মাথাপিছু আয় হতে হয় কমপক্ষে ১২৩০ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ১৬১০ মার্কিন ডলার। মানবসম্পদ সূচক ৬৬ শতাংশ প্রয়োজন হলেও বাংলাদেশ অর্জন করেছে ৭২.৯ শতাংশ। অর্থনৈতিক ভঙ্গুরতা সূচক হতে হয় ৩২ শতাংশ বা তার কম, বাংলাদেশের রয়েছে ২৪.৮ শতাংশ।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগের মাননীয় অতিরিক্ত সচিব জনাব ও এন সিদ্দিকা খানম তার বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি স্ট্যাটাস থেকে উত্তরণের রূপকার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বর্তমান সরকারের টেকসই উন্নয়ন নীতিকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যে গ্রাম-বাংলার আর্থ-সামাজিক ও কৃষি উন্নয়নের পাশাপাশি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা ও পরিবেশ সংরক্ষনের মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন ও পল্লী উন্নয়নে অন্যান্য বিভাগ/সংস্থার ন্যায় বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (বার্ড) কুমিল্লা, পল্লী উন্নয়ন একাডেমী (আরডিএ), বগুড়ার সময় উপযোগি বিভিন্ন উদ্ভাবনী কর্মকান্ড এ সফলতায় অবদান রেখেছে। উদ্ভাবনীসমূহ সম্প্রসারণে নিরন্তর চলার পথ ধরেই আমাদের প্রিয় এই মাতৃভূমি ২০৪১ সালে উন্নয়ন দেশে পরিনত হবে এটাই আমাদের প্রত্যশা।”

মুখ্য আলোচক হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন, জনাব এম মতিন, মহাপরিচালক, আরডিএ, বগুড়া, ড.এম. মিজানুর রহমান, মহাপরিচালক, বার্ড, কুমিল্লা এবং জনাব মউদুদউর রশীদ সফদার, মহাপরিচালক, বিআরডিবি।

সেমিনার প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন, জনাব মোঃ মিজানুর রহমান, পরিচালক, বার্ড, কুমিল্লা ও জনাব মোঃ নজরুল ইসলাম খান, পরিচালক, আরডি, বগুড়া।

             

  

 

  

 



Share with :

Facebook Facebook